পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায়
পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায়, নিয়ে আমরা কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করব। পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি, এটা কোন শারীরিক সমস্যা কিনা, কিভাবে যত্ন নিলে বা কি পদ্ধতি অবলম্বন করলে আপনি পা ফাটার মতো সমস্যা থেকে সমাধান পাবেন। তা আজকে আমরা জানার চেষ্টা করব।
পা ফাটা থেকে আপনারা কিভাবে মুক্তি পাবেন এবং কি করলে আপনারা পা ফাটার সমস্যার একটা ভালো সমাধান পাবেন পা ফাটার কারণ কি,কোন সময় বেশি পা ফাটে, এই সকল তথ্যের এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে সামান্য কিছু ইনফরমেশন আমি দেওয়ার চেষ্টা করব।
পেজ সূচিপত্রঃপায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায়
- পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায়
- শীতকালে কি পায়ের গোড়ালি বেশি ফাটে
- পায়ের গোড়ালি ফাটা এটা কি শারীরিক কোন সমস্যা
- পায়ের গোড়ালি ফাটা থেকে রক্ষা করতে যেভাবে যত্ন নিবেন
- জুতা পরে হাঁটলে কি পায়ের গোড়ালি ভালো থাকে
- উপসংহারঃপায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায়
পায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায়
পায়ের গোড়ালি ফাটার এরকম সমস্যা আমাদের অনেকের মধ্যেই দেখা যায়, অনেকে
আমরা মনে করে যে শুধু শীতকালেই হয়তো এই সমস্যাটা হয় ।কিন্তু না এখন অনেকেরই এটা
সারা বছরই পা ফাটার মত সমস্যা দেখা দেয়। এর প্রধান কারণ মূলত আপনার ত্বক
অতিরিক্ত শুষ্কতা এবং আপনার গোড়ালিতে অতিরিক্ত চাপ পড়া। এই দুইটি মূলত প্রধান
কারণ যার জন্য আপনার পায়ের গোড়ালি ফাটতে পারে। বাতাসে আদ্রতা কমে যাওয়ার ফলে
এই সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয়। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার ফলে আপনার গোড়ালের ওপর
অতিরিক্ত চাপ পড়ে যার ফলে ত্বক ফাটিয়ে দেয় যা পা ফাটার অন্যতম একটি
কারণ।
আবার আপনার শরীরে ভিটামিন এ,বি,ই অথবা জিংকের ঘাটতি থাকলে ত্বক ফাটার মত
সমস্যা দেখা দেয়। আবার ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের মত সমস্যা বা একজিমা বা অতিরিক্ত
ওজন বেশি যাদের তাদের পা ফাটার মতো সমস্যা হয় বা পা ফাটার ঝুঁকি বেশি
থাকে। আবার আমাদের মধ্যে অনেকে আছে দীর্ঘ সময় পানিতে থাকে বা দীর্ঘ সময়
পানিতে গোসল করে যার ফলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয় যা পা ফাটার অন্যতম
কারণ। পা ফাটার থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় গুলো আপনি ঘরে বসেই করতে পারবেন। হালকা
গরম পানিতে সামান্য পরিমাণ লবণ বা শ্যাম্পু মিশিয়ে ১০ থেকে ২০ মিনিট পা
ভিজিয়ে রাখুন।
আরো পড়ুনঃ
ঠান্ডা লাগলে কি কি ফল খাওয়া উচিত নয়
এরপর ফুড ফাইলার দিয়ে গোড়ালের শক্ত বা মৃত চামড়া ঘষে ঘষে
তুলে পরিষ্কার করে নিন এবং অতিরিক্ত ঘষতে যাবেন না। তারপর পা ভালো করে
মুছে নিন তারপর ভালো পেট্রোলিয়াম জেলি বা কোন মশ্চারাইজার ,গ্লিসারিন মিশ্রিত
পানি আপনার পায়ে লাগাতে পারেন । আবার আপনি চাইলে ঘুমানোর আগে সরিষার তেল বা
তিলের তেল বা নারিকেলের তেল হালকা গরম করে আপনার গোড়ালিতে মেসেজ করলে
আপনার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং গোড়ালি নরম থাকবে। আবার
আপনি ঘরে বসে মধুবা কলা দিয়ে বিভিন্ন রকমের প্যাক তৈরি করে সেটা এপ্লাই করতে
পারেন । তবে সব সময় আপনারা নরম ও আরামদায়ক জুতো পড়ার চেষ্টা করবেন ।ঘরের ভেতরে
এবং বাহিরে যত সম্ভব খালিপায়ে হাটা বন্ধ করতে হবে ।সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ
পানি পান করতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
শীতকালে কি পায়ের গোড়ালি বেশি ফাটে
হ্যাঁ শীতকালে পায়ের গোড়ালি বেশি ফাটে, কারন শীতে বাতাসের আদ্রতা খুব কম
থাকে এবং ত্বকে তেলের উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে, এই সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত
শীতকালে আমাদের তৃষ্ণা কম লাগে, বা পানি খাওয়ার প্রবণতা কম হয়, যার ফলে আমাদের
ত্বক ডিহাইডেট হয়ে যায় যার ,ফলে আমাদের ত্বক শুষ্ক দেখায়। যা পা ফাটার অন্যতম
কারণ। আবার আপনি যদি খালি পায়ে হেঁটে থাকেন সেক্ষেত্রেও আপনার পায়ের
গোড়ালি ফাটার মত সমস্যা হতে পারে কারণ। শীতকালে ধুলোবালি সংখ্যা যেহেতু বেড়ে
যায় সেহেতু আপনার পায়ের সাথে ধুলোবালি লেগে আপনার পায়ের গোড়ালি ফাটার
প্রবণতা বেড়ে যায়। শীতকালে আমরা গরম পানি দিয়ে গোসল করি বা পা পরিষ্কার করে
থাকি,
এই গরম পানি ব্যবহারের ফলে আপনার তৈলাক্ত ভাব পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় ,যার
ফলে আপনার ত্বক শুষ্ক হয় ,পা ফাটার মত সমস্যা তৈরি হয়। আবার আপনার শরীরে
যদি ভিটামিনের অভাব থাকে যেমন ভিটামিন বি ,সি এবং ই, এই জাতীয় ভিটামিনের
অভাব থাকলে আপনার ত্বকের নমনীয়তা হারায়। আবার যদি আপনার থাইরয়েড থাকে বা
একজিমা মত সমস্যা থাকে, এক্ষেত্রে আপনার শীতকালে পা ফাটার মতো সমস্যা বেশি হয়।
শীতকালে পা ফাটা থেকে বাঁচতে অবশ্যই আপনাকে পায়ের যত্ন নিতে হবে এবং আপনার কি
কারনে পায়ের গোড়ালি ফাটছে সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। শীতকালে
পায়ের গোড়ালের যত্ন নিবেন যেভাবে, প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা
কুসুম গরম পানিতে পা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে ,তারপরে ভালো মানের ফুট ক্রীম বা
পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারেনের পানি লাগিয়ে ঘুমাতে পারে এতে আপনার পায়ের
গোড়ালে নরম থাকবে এবং মশ্চারাইজার থাকবে। যার ফলে পা ফাটার সম্ভাবনা কমে আসবে।
পায়ের গোড়ালি ফাটা এটা কি শারীরিক কোন সমস্যা
সাধারণত পায়ের গোড়ালি ফাটা কোন গুরুতর শারীরিক সমস্যা নয়। এটি সাধারণত
নির্ভর করে আবহাওয়া, ধুলাবালি, এবং আপনার পায়ের সঠিক যত্নের অভাবে।
ময়শ্চারাইজার ও ক্রিম বা সঠিক যত্ন নেওয়া পরেও যদি আপনার এ সমস্যা ভালো
না হয় সে ক্ষেত্রে আপনার শরীরের অভ্যন্তরে সমস্যার প্রাথমিক লক্ষ্য হতে
পারে । আপনার যদি ডায়াবেটিসের মত সমস্যা থাকে তাহলে অনেক সময় পা ফাটার মত
সমস্যা দেখা দেয়। থাইরয়েড সমস্যা যাদের আছে তাদের ক্ষেত্রেও পায়ের
গোড়ালি ফাটার মত সমস্যা হয়।
আরো পড়ুনঃকালোজিরা খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও সময়
আবার অনেকের ত্বকের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা গুলো হয় যার মধ্যে আছে
একজিমা,সরিয়াসিস বা পায়ের ছত্রাক জাতীয় সংক্রমণ থাকলে পায়ের
চামড়া ফেটে যাওয়ার মত সমস্যা তৈরি হয়। ভিটামিন এবং পুষ্টিকর
খাবারের অভাবেও এরকম সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে, বিশেষ করে ভিটামিন বি ৩, বি
১২ , জিংক এবং ওমেগা থ্রি ,ফ্যাটি এসিডের ঘাটতি থাকলে ত্বকে স্বাভাবিক
আদ্রতা হারিয়ে ফেলে। আবার অতিরিক্ত ওজনের ফলেও এ সমস্যা হতে পারে।
অতিরিক্ত ওজনের ফলে আপনার হাঁটার সময় পায়ের নিচে চাপ পড়ে যার ফলে চামড়াকে
দুপাশে প্রসারিত করে এবং ফাটল তৈরি হয়। আপনার পায়ের গোড়ালি ফাটার সমস্যা
যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
পায়ের গোড়ালি ফাটা থেকে রক্ষা করতে যেভাবে যত্ন নিবেন
পায়ের গোড়ালি ফাটা থেকে রক্ষা করতে অবশ্যই আপনার সঠিক যত্নের প্রয়োজন ।
সঠিকভাবে এবং নিয়মিত যদি আপনি যত্ন নেন তাহলে আপনার পায়ের গোড়া ফাটার মতো
সমস্যা থেকে আপনি রক্ষা পাবেন। তার জন্য আপনি বাড়িতে বসে কিছু সহজ নিয়মের
মাধ্যমে আপনি পায়ের যত্ন নিতে পারেন। যা করতে হবে আপনাকে, কুসুম গরম পানি
নিয়ে তাতে শ্যাম্পু বা লবণ মিশিয়ে সে পানিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট আপনার পা
ভিজিয়ে রাখুন। তারপরে আপনার গোড়ালির শক্ত ও মৃত চামড়াগুলো নরম হয়ে আসলে হালকা
স্ক্রাবিং করে সেই মৃত চামড়া গুলো তুলে ফেলুন ।অতিরিক্ত বেশি ঘষাঘষি করতে যাবেন
না এতে আপনার ত্বকের আরো সমস্যা হতে পারে। এরপরে পা ভালো মতো করে ধুয়ে
নিয়ে আপনার ভালো মানের ফুট ক্রিম বা পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারের
লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন ।
আপনার স্কিন হাইড্রেশন এবং ময়শ্চারাইজার থাকবে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে,
আপনার পায়ের গোড়ালি ভালো পরে পরিষ্কার করে ভেসলিন এবং ময়শ্চারাইজার
লাগিয়ে নিন। আপনার যদি মোজা পড়তে সমস্যা না হয় তাহলে মোজা পরতে পারেন
।এতে আপনার ত্বকে মশ্চারাইজার ভালোভাবে শোষিত হয় এবং বিছানায় লাগে না। তবে যদি
মোজা পরে থাকলে আপনার যদি সমস্যা হয়ে থাকে ,তাহলে মোজা পরা থেকে
এড়িয়ে চলাই ভালো। আপনার পায়ের গোড়ালি ফাটা থেকে রক্ষা করতে ঘরোয়া কিছু ফুট
মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন যেমন মধু এবং গ্লিসারিন ।মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক
এবং ময়শ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে থাকে তাই সামান্য গ্লাসারিনের সাথে মধু ও
গোলাপজল মিশিয়ে আপনার পায়ের গোড়ালিতে ২০ থেকে ৩০ মিনিটে লাগিয়ে রাখুন
তারপরে ধুয়ে ফেলুন।
একটি পাকা কলা ভালোমতো করে পেস্ট করে নিয়ে সেটি আপনার গোড়ালিতে ২০ থেকে ৩০
মিনিট রেখে দিন তারপরে ধুয়ে ফেলুন এতে আপনার পায়ের গোড়ালের ত্বকের রুক্ষতা
অনেক অংশ কমে আসবে। তবে এই পদ্ধতি গুলো নিয়মিত আপনাকে ব্যবহার করতে হবে।
ঘরে এবং ঘরের বাইরে হাঁটা চলাফেরা ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি খালি পায়ে হাঁটা থেকে
এড়িয়ে চলবেন। নরম জুতা পরার চেষ্টা করবেন। পর্যাপ্ত পানি পান করার চেষ্টা
করবেন যাতে আপনার শরীরে পানি শূন্যতা না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখবে। যদি দেখেন
আপনার পায়ের গোড়ালে অনেক বেশি ফেটে যাচ্ছে এবং রক্তপাত হচ্ছে ব্যথা করছে সে
ক্ষেত্রে ঘরোয়া স্কাব বা প্যাক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন এবং ডাক্তারের
পরামর্শ নিবেন।
জুতা পরে হাঁটলে কি পায়ের গোড়ালি ভালো থাকে
হ্যাঁ জুতা পরে হাঁটলে আপনার পায়ের গোড়ালে ভালো থাকে এবং পা ফাটার
মত সমস্যা থেকে রক্ষা পায়। তার জন্য অবশ্যই আপনাকে নরম জুতা বেছে নিতে
হবে। জুতা পরার মাধ্যমে যেভাবে আপনার পায়ের গোড়ালি ফাটা থেকে রক্ষা পাবে,
তা হল আপনার শরীরের পুর ওজন আপনার পায়ের গোড়ালির ওপর গিয়ে চাপ পড়ে, এই
চাপ থেকে রক্ষা করার জন্য জুতা পরা অত্যন্ত প্রয়োজন। জুতা পরার ফলে এই
চাপটি আপনার পায়ের গোড়ালিতে সরাসরি পরে না যার ফলে ফেটে যাওয়ার মত সুযোগ হয়
না। ধুলোবালি এবং শুষ্কতা থেকে বাঁচার জন্য জুতা ব্যবহার করা প্রয়োজন ।কারণ
ধুলাবালি ত্বকের আদ্রতা নষ্ট করে দেয় যা গোড়ালি ফাটার অন্যতম কারণ।
আরো পড়ুনঃখালি পেটে বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা
অনেক সময় খালি পায়ে হাঁটার ফলে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস পায়ে
শুষ্ক ফাটল দিয়ে ভেতরে ঢুকে সংক্রমণ তৈরি করতে পারে ।তাই বাড়ির ভিতরে এবং
বাহিরে অবশ্যই জুতা পরে হাঁটবেন। তবে সঠিকভাবে জুতা বেছে নেওয়াটাও প্রয়োজন।শক্ত
সোলের জুতা গোড়ালিতে বেশি আঘাত করে যার ফলে আপনার পা ফাটার মতো সমস্যা আরও
বেশি হতে পারে। সেজন্য নরম ও আরামদায়ক সোলের জুতা ব্যবহার করতে হবে। তবে
অবশ্যই খেয়াল রাখবেন জুতার পেছনের অংশ যেন ঢাকা থাকে। সেগুলো আপনার পায়ের
গোড়ালির চামড়া কে ছড়িয়ে পড়তে বাধা দেয় এবং চামড়ার আদ্রতা ধরে রাখতে
সাহায্য করে। আপনার ঘরে ব্যবহার করার জন্য নরম স্পঞ্জের স্যান্ডেল বা
স্লিপার আলাদা করে রাখুন।
উপসংহারঃপায়ের গোড়ালি ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায়
পায়ের গোড়ালের ফাটার কারণ কি ও মুক্তির উপায় নিয়ে বিভিন্ন তথ্য ,আমি আমার এই
পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করেছি। পায়ের গোড়ালি ফাটা
থেকে রক্ষা পেতে অবশ্যই আপনাকে নিয়মিত আপনার সঠিক নিয়মে পরিচর্যা করার
প্রয়োজন। আমরা অনেকে এই পা ফাটাকে অবহেলা করে থাকি যার ফলে এই সমস্যা আরও বেশি
হয়ে থাকে। তাই অবহেলা না করে সঠিকভাবে যত্ন নিন তাহলে এই পা ফাটা থেকে অনেক অংশে
রক্ষা পাবেন। আপনার পা ফাটা যদি গভীর হয়ে থাকে যেমন রক্তপরা,ব্যথা করা এ
জাতীয় সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
কারণ অনেক সময় এটি আপনার শারীরিক কোন সমস্যার কারণেও হয়ে থাকে। তাই সুস্থ থাকতে
শুধু পরিচর্যা নয় নিয়মিত পুষ্টিকর ও ভিটামিন যুক্ত খাবার খেতে হবে।
আর অবশ্যই পা ফাটা অবহেলা করবেন না।

জেনোভা আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url