ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম

 গ্রিন টি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পানীয়, আপনি যদি রেগুলার গ্রিন টি পান করে থাকেন, তাহলে অনেকগুলো উপকারিতা আপনি পাবেন। তার মধ্যে ওজন কমানো অন্যতম। আমরা সবাই জানি গ্রিন টি ওজন কমাতে সাহায্য করে। সঠিক নিয়মে গ্রিন টি খেলে, আপনার ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

ওজন-কমাতে-গ্রিন-টি-খাওয়ার-নিয়ম

ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম এবং উপকারিতা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য আমি আপনাদেরকে এ পোষ্টের মাধ্যমে দেওয়ার চেষ্টা করব। গ্রিন টি খাওয়ার সঠিক নিয়ম, কোন সময় গ্রিন টি খেলে আপনার উপকার বেশি হবে। এবং কারা খেতে পারবেন, আর কারা খাবেন না এইসব নিয়ে কিছু তথ্য আপনাদের সাথে আমি শেয়ার করব। 

পেজ সূচিপত্রঃ ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম

ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম

ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার সঠিক নিয়ম আছে, গ্রিন টি সরাসরি শরীরের মেদ না গলিয়ে, মেটাবলিজম সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে ওজন কমাতে দারুনভাবে সাহায্য করে থাকে। তবে অবশ্যই এটি সঠিক নিয়মে আপনাকে খেতে হবে।  কোন ভারী খাবার খাওয়ার পর বা খাওয়ার আগে অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা দুই ঘন্টা পরে খেলে বেশি উপকার পাবেন। আবার আপনি যদি ওয়ার্কআউট করার ১ ঘন্টা আগে গ্রিন টি খেয়ে থাকে তাহলে এটি ফ্যাট বার্নিং হিসাবে ভাল কাজ করে।

আমাদের অনেকের এই ভুল করে থাকে সকালে ঘুম থেকে উঠে, অনেকে গ্রিন টি খেয়ে থাকেন। যেটা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতি কর এতে আপনার এসিডিটি বা আনসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই গ্রিন টি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। কারণ গ্রিন টি তে ক্যাফেইনের উপাদান থাকে যা আপনার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। ওজন কমানোর জন্য দিনের দুই থেকে তিন কাপ গ্রিন টি আপনি খেতে পারেন। তবে তিন কাপের বেশি না খাওয়ায় আপনার শরীরের জন্য উত্তম

ওজন কমাতে দিনে কয়বার গ্রিন টি খাওয়া উচিত

ওজন কমাতে গ্রিন টি যেমন কার্যকর, ঠিক তেমনি এটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। তাই সঠিক নিয়মে আপনি যদি গ্রিন টি খান তবে একটি ভাল রেজাল্ট পাবেন। গ্রিন টি দিনে অন্তত আপনি দুই বা তিন কাপ  পর্যন্ত খেতে পারে। তবে এর বেশি না খাওয়া ভালো, কারণ বেশি কোন কিছুই খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয়। গ্রিন টি তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ক্যাফেইন থাকে, যেটা আপনার ত্বক উজ্জ্বল করতে এবং শরীরের মেটাবলিজম বা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে । যার ফলে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরতে সাহায্য করে।


তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, শুধু গ্রিন টি খেলেই আপনার ওজন কমবে না। তার সাথে আপনাকে নিয়মিত ডায়েট অনুযায়ী খাবার খেতে হবে এবং শরীরচর্চা বা ব্যায়াম ইত্যাদি এসব রেগুলার করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার  ডায়েট এর পাশাপাশি গ্রিন টি ওজন কমানোর জন্য, বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিয়ম অনুযায়ী যদি আপনি চলতে পারেন, অবশ্যই আপনি একটি সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবেন। 

গ্রিন টি বানানোর সঠিক নিয়ম

গ্রিন টি উপকারিতা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে সঠিক নিয়মেই গ্রিন টি বানাতে হবে। গ্রিন টি বানান জন্য যে উপাদানটি বেশি প্রয়োজন সেটি হল পানি । আর পানি ভালো করে ফুটানো প্রয়োজন। প্রথমে একটি পাত্রে আপনার প্রয়োজন মত পানি নিন, সেই পানি ভালো করে ফুটিয়ে নিন। তারপর ফুটন্ত পানিতে সরাসরি গ্রীন টি দিবেন না, এক থেকে দুই মিনিট পানি রেখে দিন, পানির তাপমাত্রা যখন ৮০ থেকে ৮৫° হবে এই পানি আপনি গ্রিন টি বানানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। একটি কাপে এক চামচ গ্রিন টির পাতা দিয়ে ওই পানি তার মধ্যে ঢেলে দিন।

 আর যদি টি ব্যাগ হয় তাহলে কাপের ভিতরে আগে টি ব্যাগ  রেখে পানি ঢেলে দিতে হবে। তারপর একটি ঢাকনা দিয়ে কাপটি ঢেকে দিন এবং দুই থেকে তিন মিনিট অপেক্ষা করুন এর মাধ্যমে একটি পারফেক্ট গ্রিন টি আপনি বানাতে পারবেন। তবে বেশিক্ষণ এটি ঢেকে রাখবেন না তবে পাতার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি চা টি ছেঁকে  নিবেন,আর টি ব্যাগের ক্ষেত্রে টি ব্যাগটি তুলে নিবেন। তবে সাধারণত যে ভুলগুলো করে থাকে সেগুলো হচ্ছে গরম পানির মধ্যে গ্রিন টির পাতাগুলো দিয়ে কখনো ফুটাবেন না ,কারণ এর ভেতরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নষ্ট হয়ে যায়।

 আবার অনেকের মধ্যেই সমস্যা দেখা দেয় টি ব্যাগটি চেপে চেপে রস বের করে, এর ফলে আপনার গ্রিন তিতা হয়ে যায় এবং যা চায়ের স্বাদ নষ্ট করে দেয়। আবার অনেকে চিনি ,দুধ মিশান, এই কাজগুলো করবেন না এগুলো সম্পূর্ণ নিষেধ কারণ,চায়ের মূল উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর কার্যকারিক ক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। তাই অবশ্যই গ্রিন টির উপকারিতা পেতে হলে সঠিক নিয়মে এটি বানানো প্রয়োজন।

সকালে গ্রিন টি খেলে কি কি উপকার পাবেন

নিয়মিত আপনি যদি গ্রিন টি পান করতে পারেন, তবে তার অবশ্যই অনেক ভালো বেনিফিট আপনি পাবেন। সকালে গ্রিন টি খেলে যে সুবিধা গুলো পাবেন, ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা ক্ষেত্রে বেশ ভালো কাজ করে। সারাদিনের জন্য একটা ভালো এনার্জি আপনি পেতে পারেন।কারণ আমরা জানি গ্রিন টি তে ক্যাফেন ও এল-থিয়ানিন নামক উপাদান থাকে, যা আপনার শরীরের অলসতা কে দূর করতে সাহায্য করে। এবং আপনার শরীরে একটা ইনস্ট্যান্ট শক্তি জোগাড় করে।

মনোযোগ এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য গ্রিন টির এই দুই উপাদান খুব ভালো কাজ করে, গ্রিন টি তে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়, যার ফলে আপনার শরীরে ডিটক্সেফাই করতে সাহায্য করে। যার ফলে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা ও বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। নিয়মিত গ্রিন টি পান করার ফলে আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক অংশে কমে আসে কারণ এটি রক্তের ক্ষতিকরন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়া কি উচিত?

সকালে খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়া উচিত না, আমাদের অনেকের মধ্যে এই ধারণাটা থাকে যে ওজন কমানোর জন্য, খালি পেটে  গ্রিন টি খেলে হয়তো ভালো রেজাল্ট পাওয়া যাবে। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। অবশ্যই আপনি খালি পেটে গ্রিন টি খাবেন না । আপনি খালি পেটে যদি গ্রিন টি খেয়ে থাকেন তবে সেটা উপকারের থেকে আপনার শরীরে ক্ষতি বেশি করবে। সকালে খালি পেটে গ্রিন টি খেলে যে সমস্যাগুলো আপনার হতে পারে, যেমন অ্যাসিডিটি, গ্রিন টি তে ট্যানিক নামক একটি উপাদান থাকে, খালি পেটে যদি আপনি এটি পান করে থাকেন এই উপাদানটি আপনার পাকস্থলীতে এসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে আপনার গ্যাসের সমস্যা বেড়ে যাবে, এবং পেট ব্যথা সমস্যা ও দেখা যেতে পারে।


আবার বমি বমি ভাব হতে পারে, গ্যাসের সমস্যা বেড়ে গেলে বমি বমি ভাবের সমস্যা দেখা দেয়। আবার আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা ও দেখা দিতে পারে। আমার খালি পেটে দীর্ঘ সময় গ্রিন টি খাওয়ার ফলে শরীর থেকে অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান শোষণ করতে বাধা দেয়। যার ফলে আপনার শরীরে রক্ত স্বল্পতার ঝুঁকি অনেক অংশে বেড়ে যায় এবং নানান শারীরিক সমস্যা হতে পারে। আবার খালি পেটে খাওয়ার জন্য এর উপাদান ক্যাফেন, আপনার শরীরকে দ্রুত পানি শূন্যতা করে তুলতে পারে। তাই অবশ্যই খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

রাতে গ্রীন টি খেলে কি ওজন কমে?

রাতে গ্রিন টি খেলে ওজন কমতে সাহায্য করবে, তবে এটি সরাসরি আপনার চর্বি গলায় না, এটি আপনার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, অতিরিক্ত ক্যালরি শরীর থেকে বের করে দেয়। রাতে খাবারের অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা পর আপনি গ্রিন টি খেলে আপনার হজম প্রক্রিয়া সচল হতে সাহায্য করে। এটি আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে যার ফলে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। গ্রিন টি তে আল এল-থিয়ানিন নামক এসিড থাকে যা আপনাকে ঘুমাতে সাহায্য করে এবং মস্তিষ্ক শান্ত রাখে।

তবে রাতে গ্রিন টি খেলে কিছু সমস্যা হতে পারে, যেমন ঘুমের ব্যবহার ঘটার মতো সমস্যা হতে পারে। কারণ গ্রিন টি তে ক্যাফের নামক যে উপাদানটি থাকে, সেটি আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যার ফলে অনেক সময় ঠিকমতো ঘুম না হলেও ওজন বেড়ে যাওয়া বা মানসিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে  গ্রিন টি খাবেন না অন্তত দুই থেকে তিন ঘন্টা আগে গ্রিন টি খাওয়ার চেষ্টা করবেন। তবে রাতে গ্রিন টি না খাওয়াই ভালো।

মেদ কমাতে গ্রিন টি কত টাকা কার্যকর

আমরা জানি গ্রিন টি আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে, তবে সেটা সরাসরি মেদ ঝরাতে সাহায্য করে না। এটি আপনার মেটাবলিজম সিস্টেম এবং হজম শক্তিকে প্রক্রিয়াকে উন্নত করার মাধ্যমে আপনার শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিক  উপাদান ও খারাপ কোলেস্টেরল গুলো বের করে দেয়। যার ফলে আপনার শরীর থেকে ওজন কমতে সাহায্য করে। আবার আমাদের পেটের ভেতরে লিভারের বা অন্যান্য অঙ্গের আশেপাশে ক্ষতিকর যে চর্বিগুলো  থাকে সেটাকে ডাক্তারি ভাষায় ভিজারাল ফ্যাট বলে

গ্রিন টিয়ে এই ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। তবে আপনাকে শুধু গ্রিন টির উপর নির্ভরশীল থাকা যাবে না। তার জন্য আপনাকে ডায়েট করতে হবে নিয়মিত ব্যায়াম শরীরচর্চা করতে হবে। আপনি যদি পরিমিত খাবার এবং নিয়মিত হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করে থাকে তার পাশাপাশি যদি গ্রিনটি পান করেন সেক্ষেত্রে আপনার ওজনে কমার ক্ষমতা ২০ থেকে ৩০% পর্যন্ত বেড়ে যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে চিনি, দুধ এবং মধু এইসব গ্রীনটিতে মেশানো যাবে না। আর অবশ্যই খালি পেটে গ্রিন টি খাবেন না।

কারা গ্রিন টি খেতে পারবেন না

গ্রিন টি একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় হলেও, এটি সবার জন্য নয়। গ্রিন টির যে উপাদান ক্যাফেন এবং ট্যানিন সবার জন্য নিরাপদ নয়। গর্ভাবস্থায় গ্রিন টি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে কারণ গ্রিন টি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। তাছাড়া এটি শরীরের ফলিক এসিড নামেও পদার্থ শোষণ করে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে। আবার যেসব মায়েরা বাবুদেরকে বুকের দুধ খাওয়ান, তারাও গ্রিন টি খাওয়া থেকে যতটা সম্ভব বিরত থাকবেন ।কারণ এই ক্যাফেয়নের কারণে বাচ্চার ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

 যাদের রক্তস্বল্পতার সমস্যা আছে তারা গ্রিন টি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আবার যাদের তীব্র গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তারাও গ্রিন টিক হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। কারণ গ্রিন টির উপাদান আপনার গ্যাসের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিবে। যাদের হৃদরোগের সমস্যা আছে তারা যতটা সম্ভব পারেন গ্রিন টি এড়িয়ে চলুন। গ্রিনটিতে ক্যাফের নামও উপাদান থাকায় এটি ঘুমের সমস্যা তৈরি করে। যার ফলে অনিদ্রা এবং  বিভিন্ন রকমের মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আপনি যদি রক্ত পাতলা করার ঔষধ বা বিষন্নতার ঔষধ কিংবা উচ্চ রক্তচাপের কোন নির্দিষ্ট ওষুধ খান তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই গ্রিন টি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন। আর সব শেষে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া ভালো

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে গ্রিন টি কতটা কার্যকর 

গ্রিন টি শুধু ওজন কমানোর জন্য  নয়, বরং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। এটি আপনার ভেতর ও বাহির উভয় দিক থেকে কার্যকারিতা ভূমিকা পালন করে থাকে, কারণ গ্রিনটিতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন সি থাকে যা আমরা জানি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।  গ্রীনটির উপাদান ভিটামিন সি যা ত্বকের মলিনতা ও হাইপারপিগমেন্টেশন এবং কালো দাগ কমাতে  সাহায্য করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করে।

 গ্রিন টি থাকা উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বককে প্রাণবন্ত ও তরুণ দেখায়। আবার এটি আপনার অতিরিক্ত ব্রণ ও স্কিনের তৈলাক্ত ভাব নিয়ন্ত্রণে  করতে সাহায্য করে । আবার আপনি গ্রীন টি ফেস প্যাক হিসাবে ও ব্যবহার করতে পারেন, তার জন্য যা করবেন এক চামচ ব্যবহৃত গ্রিন টি পাতা আপনি গুঁড়ো করে নিতে পারেন, এক্ষেত্রে ফেসপ্যাক বানাতে সুবিধা  হবে  তার সাথে আপনার প্রয়োজনমতো মধুম দিয়ে ভালো মতো করে মিশিয়ে নেবেন তারপর মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিন। তারপর হালকা গরমপানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

 এই মিশ্রণটি আপনার স্কিন উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে এবং ত্বক নরম করতে সাহায্য করবে। আবার আপনি চাইলে গ্রীন টি টোনার হিসাবে ও ব্যবহার করতে পারেন।টোনার বানানোর জন্য আপনাকে গ্রিন টি লিকার ঠান্ডা হয়ে গেলে সেটি স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা মুখ ফ্রেশ করার পর এই স্প্রেটা ব্যবহার করতে পারেন।আপনার ত্বকের দাগ ছোপ দূর করতে এবং ত্বক উজ্জ্বল করতে এই টোনারটি বেশ ভালো কাজ করে। ভালো রেজাল্ট পেতে হলে এই প্রসেসগুলো আপনাকে নিয়মিত করতে হবে।

উপসংহারঃ ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম

আমি আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম, নিয়ে কিছু ইনফরমেশন যাওয়ার চেষ্টা করেছি। গ্রিনটি খাওয়ার উপকারিতা এবং কাদের জন্য গ্রিন টি খাওয়া উত্তম, এবং কারা খেতে পারবেন না অতিরিক্ত খেলে কি কি সমস্যা হতে পারে ,এসব কিছুই আমি এই পোস্টে বলার চেষ্টা করেছি। নিয়ম অনুযায়ী দিনে অন্তত দুই থেকে তিন কাপ চা আপনি খেতে পারেন। তবে অবশ্যই তার বেশি খাবেন না। আর আপনার যদি কোন সমস্যা হয় গ্রিন টি খেলে, তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়ায় উত্তম। তাই যারা  গ্রিন টি পছন্দ করেন এবং গ্রিন টি খাওয়ার ফলে কোন সমস্যা হবে না তারা প্রতিদিন নিয়ম অনুযায়ী গ্রিন টি পান করুন সুস্থ থাকুন এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং তারুণ্য ধরে রাখুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জেনোভা আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url